দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানখেতের পাশে রাস্তা থেকে মো. নাঈম (১৪) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামের এবায়েদ উল্যার বাড়ির পাশে ধানখেতসংলগ্ন রাস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত।
স্থানীয়রা জানান, নাঈমের মা-বাবার প্রায় তিন বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে সে নানার বাড়িতে থাকত।
নিহতের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, শনিবার নাঈম মাদ্রাসা থেকে নানার বাড়িতে আসে। সোমবার রাতে খাবার খেয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে উঠে দেখা যায়, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম সেখানে নেই। সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
এবায়েদ উল্যাহ অভিযোগ করেন, ২০-২৫ দিন আগে তাঁর মেয়ের নতুন করে বিয়ে হয়। এরপর নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল তাঁর মেয়ে সুমি আক্তারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছিলেন। এ ঘটনায় নাঈমের মা তাঁর বাবাকে সন্দেহ করছেন বলেও জানান তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে নিহতের বাবা ইব্রাহীম খলিলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নাঈমের থুতনির নিচে আঘাতের দাগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও বলেন, নিহতের বাবার সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম অথবা ফেনীতে আছেন এবং ঘটনাস্থলের দিকে আসছেন।
যে আই